হিজরাত | আমার কথা
×

 

 

হিজরাত

coSam ৩২


আবু তালিব এর গুহা থেকে মুক্তির পর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) মুসলিমদেরকে আবিসিনিয়ায় হিজরতের অনুমতি দান করেন। হযরত বিলাল (রাঃ) হাবশী হয়ে পিতৃ ভূমির আকর্ষণেও রাসূলুল্লাহর সান্নিধ্য ত্যাগ করেননি ।

অন্য দিকে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) গোপনে মক্কা হতে মদীনায় হিজরত করবেন-এই খবর যারা জানতেন তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন হযরত বিলাল (রাঃ) এবার তিনি কালবিলম্ব না করে রাসুলুল্লাহর পূর্বেই মদীনায় চলে যান।

পথকষ্ট, স্বল্পাহার এবং অন্যান্য কারণে মদীনায় পৌছে হযরত বিলাল (রাঃ)। অসুস্থ এবং জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পড়েন।

মদীনায় হযরত বিলাল (রাঃ) মাদানী সাহাবী সা'দ ইবনে খাইসামা এর গৃহে অবস্থান করে প্রিয় নবীর অপেক্ষায় থাকেন।

আনসার এবং মুহাজিরদের হৃদ্যতা এবং সম্প্রীতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) একজন আনসার ও একজন মুহাজিরের মধ্যে পারস্পরিক বিশেষ ভ্রাতৃত্ব সম্পর্ক স্থাপন প্রথা প্রবর্তন করেন।

হযরত বিলালের ভ্রাতৃত্ব সম্পর্ক হয় খাছআম গোত্রের আবদুল্লাহ্‌ ইবনে আবু রাওয়াহার সঙ্গে। এই ভ্রাতৃত্ব চুক্তি ছিল ব্যবসা-বাণিজ্য-কৃষি বিষয়ক, সম্পত্তির ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য সহযোগীতা সম্পকী়। যদিও আব্দুল্লাহ্‌ ইবনে আব্দুর রহমানের সঙ্গে হযরত বিলালের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভ্রাতৃত্ব চুক্তি সম্পাদিত হয়,

কিন্তু হযরত বিলাল (রাঃ) রাসূলুল্লাহর ব্যক্তিগত সহকারী এবং খাদিম হিসেবেই তার দায়িত্ব পালন করেন।

মক্কায় উবায়দা ইবন আল হারিস ইবনে আব্দুল মোত্তালিব এবং আবু উবায়দা ইবনে জাররা এর সঙ্গেও বিলালের ভাতৃত্ব চুক্তি হয়। তবে মদীনায় আবু রাওয়াহা আল খাইসমির সঙ্গে সম্পর্কে ছিল আমৃত্যু। 

সুত্রঃ ক্রিতদাস থেকে সাহাবী

পরবর্তী গল্প
বিবাহ

পূর্ববর্তী গল্প
বিবিধ নির্যাতন

ক্যাটেগরী