হযরত দাউদ (আঃ) | আমার কথা
×

 

 

হযরত দাউদ (আঃ)

coSam ১৫৮


বংশ পরিচিতিঃ ইতোপুর্বে সংক্ষিপ্ত হলেও হযরত শামভীল (আঃ) এর আলোচনা হযরত দাউদ (আঃ) এর কিছু আলোচনা স্থাপন পেয়েছে। পূর্ববতী আলোচনা পরিষ্কারভাবে বুঝা গিয়েছে যে, জালুত হত্যায় তার নজীরবিহীন বীরত্ব প্রকাশ পাওয়ার পর বনী ইস্রাইলদের হৃদয়ে তার সম্মান ও মর্যদা সুদৃঢ়ভাবে স্থান করে নিয়েছে। সবার নিকটই তিনি এখন সম্মানিত এবং সবার প্রিয় পাত্র। অনন্তর আল্লাহ তাআলা বনী ইসরালের হিদায়েতের জন্য তাঁকে স্বীয় প্রতিনিধি বা খলিফা নিয়োগ করলেন। আল্লামা ইবনে কাছীর (রাঃ.) কর্তৃক তারীখ নামক গ্রন্থে তার যে নসবনামা উক্ত হয়েছে তা নিম্নরুপ- দাউন তার পিতা আওবাদ তার পিতা আবের তার পিতা সালমুন তার পিতা নাহশুন তার পিতা নিয়াযিব তার পিতা হচরোন তার পিতা ফারেচ তার পিতা ইয়াহুদা তার পিতা ইয়াকুব তার পিতা ইসহাক তার পিতা ইব্রাহিম (আঃ)। তার তৌরা গ্রন্থে রয়েছে যে, হযরত দাউদ (আঃ) এর পিতা ঈশার অনেক সন্তান ছিল তন্মধ্যে হযরত দাউদ (আঃ) সকলের ছোট। হযরত ওহাব বিন মোনাব্বা (রা) হতে বর্ণিত। হযরত দাঊদ (আঃ) খুব দীর্ঘকায় ব্যক্তি ছিলেন না। বরং তার দেহাবয়ব স্বাভাবিক অবস্থা হতে সামান্য খাট ছিল। তার চক্ষুদয় অপেক্ষাকৃত নীল এবং দেহে লোম খুব কম ছিল। মুখমণ্ডলে অন্তরের পবিত্রতার এবং নির্মল ও পবিত্র স্বভাবের ছাপ পরিলক্ষিত হত। বিবাহঃ কোন কোন বর্ণনায় আছে যে, জালুতের অতল বিক্রম ও শক্তিমত্তা সম্পর্কে অবগত হয়ে বনী ইসরাইলীরা যখন পিছু হটাচ্ছিল এবং জালুতের মোকাবেলা করতে কেউ সম্মত হচ্ছিল না তখন তালুত ঘোষনা করলেন যে, জালুতের যে হত্যা করতে পারবে তাঁকে রাজ্যের একাংশ দান করা হবে এবং তার সাথে স্বীয় কন্যাকে তার সাথে বিয়ে দিলেন। তার কন্যার নাম ছি মীকাল। অধিকন্তু রাজ্যের একাংশ তাঁকে দান করলেন।

পরবর্তী গল্প
হযরত সুলাইমান (আঃ) কে পরীক্ষা

পূর্ববর্তী গল্প
বাতাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ

ক্যাটেগরী