সালমান ফারসীর (রাঃ) প্রাথমিক জীবন | আমার কথা
×

 

 

সালমান ফারসীর (রাঃ) প্রাথমিক জীবন

coSam ২৬


শিশুকাল হতেই সালমান ফারসী (রাঃ) ছিলেন অত্যন্ত সৎ এবং ধর্মপরায়ণ। সালমানের পিতার ধর্ম ছিল পারস্যের মেজিয়ান ধর্ম এ ধর্মে অগ্নি দেবতার পূজা হত । তাদের মতে অগ্নি দেবতারই আছে সবচেয়ে বেশি ক্ষমতা।

কারণ অগ্নি অল্প সময়ে সব পুড়ে ছারখার করে দিতে পারে। কেউ কেউ মনে করেন- সমুদ্র দেবতা বরুণ আরও শক্তিশালী।

সমুদ্র বারি সকল অগ্নি নির্বাপিত করতে পারে। ধর্মপরায়ণতার জন্য যে অগ্নি পূজারী ছিল সালমান পরিবার। পারিবারিক সে অগ্নি প্রজ্জলিত রাখার দায়িত্ব কিশোর সালমানকে দেয়া হয়। সালমানের দায়িত্ব ছিল দিন ও রাত ২৪ ঘন্টার মধ্যে যেন কখনও এক মুহুর্তের জন্য হলেও পূজাকৃত অগ্নির লাল শিখা অন্তঃস্থ না হয়।

সালমানের পিতার ছিল অনেক জমি-জমা। তা হতে উৎপাদিত হত প্রচুর শস্য। সালমানের পিতা নিজেই জমি-জমা এবং শস্য উৎপাদনের দায়িত্বে ছিলেন।

সালমানের পিতা ছিলেন ইস্পাহান শহরের নিকটবর্তী “যাইয়ান' গ্রামের একজন দিহক্বান অর্থাৎ সর্দার ৷ তিনি ছিলেন গ্রামের সবচেয়ে ধনী এবং তার বাড়ীটাও ছিল সবচেয়ে বড়।

সালমান ফারসীর ইসলাম পূর্ব নাম হল মাবিহ ইবনে বৃযিখশান। তার বংশ লতিকা হল (১) মাবিহ (২) ইবনে বৃযিখশান (৩) ইবনে মুরাষলান (৪) ইবনে বাহবৃযান (৫) ইবনে ফিরূয (৬) ইবনে শাহরাখ। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) তাকে সালমান আল খায়র নামে সম্বোধন করেন। ইসলাম গ্রহণ করার পর এ নামেই তিনি নিজেকে পরিচয় দিতেন।

সালমান আল খায়র শব্দের অর্থ হল কল্যাণময়। ভালো শান্তি। সালমানের পিতা বৃযিখশানের জন্মস্থান ইম্পাহানের অন্তর্গত জায়্যো নামক নগরীতে। তার মাতার জন্মস্থান ছিল যিশতান ও রামা হরমূর্য প্রদেশে। তার মাতা ছিলেন অগাধ ভূ-সম্পত্তির মালিকা। তাই তার পিতা শ্বশুরালয়ে আগমণ করেন। এখানেই জন্ম হয় সালমানের।

সুত্রঃ  ক্রীতদাস থেকে সাহাবী

পরবর্তী গল্প
পিতৃস্নেহ

পূর্ববর্তী গল্প
আমীর ইবনে ফুহায়রা (রাঃ)

ক্যাটেগরী