সকল আরব গোত্রের সম্মিলিত শত্রুতা | আমার কথা
×

 

 

সকল আরব গোত্রের সম্মিলিত শত্রুতা

coSam ১২৩


ইসলাম আগমণের প্রথম থেকেই ইসলাম ও মুসলমানদের ক্ষতি সাধনে এহন কোন পন্থা নেই, যা কুরাইশরা ইসলাম ও মুসলমানদের ক্ষতি সাধন প্রচেষ্টায় ব্যবহার করেনি। তাঁদের জুলুম নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে মুসলমানরা প্রথমে হাবশায় পরবর্তীতে মদীনায় হিজরত করে। মুসলমানদের বদর ও ওহুদ রণাঙ্গনে কুরাইশদের সাথে সম্মুখে অবতরণ করতে হয়েছে।

সর্বশেষ ওহুদ রণাঙ্গনে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর নির্দেশ বিস্মৃতির সুযোগে মুসলমানদের যথেষ্ট ক্ষতি সাধনে সক্ষম হলেও বিজয় লাভে কিংবা রণাঙ্গনের কর্তৃক নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়নি। রণাঙ্গন মুসলিম বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে আসে এবং কুরাইশরা রণে ভঙ্গ দিয়ে পলায়ন করতে বাধ্য হয়।

পালাবার কালে কুরাইশ নেতা আবূ সুফিয়ান মুসলমানদের উদ্দেশে দম্ভভরে বলেছিল আগামী বছর প্রান্তরে তোমাদের সাথে আবার মোকাবিলা হবে। প্রত্যুত্তরে মুসলমানরা তাঁর এ ঘোষণা অকুতোভয়ে গ্রহণ করে। মক্কায় ফির কুরাইশ নেতৃত্ব লাভ-ক্ষতি এবং উভয় পক্ষের শক্তি হিসেবে নিকাস করে উপলব্ধি করতে পারে যে, একা কুরাইশের সামরিক শক্তির উপর নির্ভর করে মুসলমানদের বিরুদ্ধে সুবিধা তো করা যাবেই না, বরং বেকায়দায় পড়ার সম্ভাবনাই বেশি।

ফলে ওহুদ ফলে রণাঙ্গনে দম্ভোক্তি উচ্চারণ সত্ত্বেও তাঁরা পরবর্তী বছর বদর প্রান্তরে উপস্থিত হতে সাহসী হয়নি। শেষ পর্যন্ত তাঁরা সিদ্ধান্ত নিল, সমগ্র আরবের সব গোত্র, গোষ্ঠীকে ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলার সাথে সাথে সৈন্য সংগ্রহ এবং রণসজ্জা শুরু হয়ে যায়।

এত সব বিপদাপদের মধ্যেও মদীনার আশে পাশের পল্লী এলাকাসমূহে দিন দিন ইসলাম প্রসার লাভ করে এবং পল্লীবাসী ব্যাপক হারে ইসলাম গ্রহণ করতে থাকে।

পরবর্তী গল্প
হযরত আবূ জন্দলের উপস্থিতি

পূর্ববর্তী গল্প
বোরায়দা ও তাঁর সঙ্গীদের ইসলাম গ্রহণ

ক্যাটেগরী