যেনা সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা | আমার কথা
×

 

 

যেনা সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা

coSam ২০৫


প্রাক ইসলামী যুগে যেনা ব্যভিভারের প্রচলন ছিল ব্যপক। এমন কি এটাকে কোন প্রকার অন্যায় কর্ম বলে ভাবা হত না, যেনা ব্যভিচারকারিণী ঘরের দরজায় নিশান উড়িয়ে রাখা হত। এটা ছিল সংশ্লিষ্ট মহিলার পরিচিতি জ্ঞাপনকারী প্রতিক। এ নিশান দেখে সুশ্চরিত্র লম্পট পুরুষ যেনাকারিণীকে গৃহে গমন করে নিজেদের কুবাসনা চরিতার্থ করত।

এমন কি ব্যভিচারের ফলে কোন পুত্র সন্তান জন্ম নিলে তাঁকে বৈধ সন্তান বলে গ্রহণ করা হত। যেনার মত অপকর্ম করে তা সমাজে বলে বেড়ান গর্বের বিষয় বলে বিবেচিত হত। এমনকি দাসীদেরকে যেনায় লিপ্ত করে অর্থ আহরণের ন্যক্কারজনক প্রথাও জাহেলিয়া যুগে প্রচলিত ছিল। ইসলাম যুগে দাসীদেরকে বলপূর্বক যেনায় বাধ্য করার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে কোরআনে আয়াত নাযিল হয়।দাসীদেরকে যেনায় বাধ্য করো না,

জাহেলী যুগে তৎকালীন আরব সমাজে নিজের বিবাহিত স্ত্রীকে খ্যাতনামা বীর পুরুষদের নিকট পাঠিয়ে বীর সন্তান লাভের মত জঘণ্য কুৎসিত প্রথাও প্রচলিত ছিল। সুতরাং প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থার ক্রুটি সংশোধন, কুৎসিৎ প্রথার অপনোদন, মানব সন্তানের নৈতিক চরিত্র রক্ষা এবং বংশধারা সংরক্ষণের উদ্দেশে কোরআন যেনা ব্যভিচার নিষেজ্ঞা সম্বলিত ব্যাপক বিধান নাযিল হয়। হিজরী চতুর্থ সনে রাজীর ঘটনার পরই যেনা নিষিদ্ধ হওয়ার বিধান অবতারিত হয়। 

পরবর্তী গল্প
মদপান ও জুয়া নিষিদ্ধ ঘোষণা

পূর্ববর্তী গল্প
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সাথে ইহুদীদের তর্ক

ক্যাটেগরী