মৃত ব্যক্তিকে দাফন ও কবজের পর রূহের উর্ধ্বেগমন | আমার কথা
×

 

 

মৃত ব্যক্তিকে দাফন ও কবজের পর রূহের উর্ধ্বেগমন

coSam ২২


মৃত ব্যক্তিকে দাফনের সময় করণীয় বিষয়সমূহ এ প্রসঙ্গে হাদীসের এক বর্ণনায় এসেছে, আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: যখন লাশ কবর পর্যন্ত পৌঁছে এবং সকল লােক বসে যায়, তােমরা বসাে না; বরং কবরের নিকটে দাঁড়িয়ে থাক। যখন মৃত ব্যক্তিকে কবরে রাখবে, তখন বলাে এ “আল্লাহর নামে তাকে দাফন করা হলাে। তিনি রাসূলের দলভূক্ত ছিলেন।”    
কবজের পর রূহের উর্ধ্বেগমনঃ অতপর দাফনের পর আবার দেহে গমন মানুষের রূহ দেহ থেকে বের হবার পর প্রথমে ফেরেশতারা তাকে আসমানের দিকে নিয়ে যায়।    

যখনই কোন ফেরেশতাদলের সাক্ষাত লাভ করে তখন তারা বলে (যদি রূহটি মুমিনের হয়) এই পবিত্র রূহ কার? তখন ফেরেশতারা জবাবে বলেন : অমুকের ছেলে অমুকের। দুনিয়ায় রাখা সর্বোত্তম নাম ধরেই একথা বলা হয়। তখন তার জন্য আসমানের দরজা খুলে দিতে বলা হয়। তখন খুলে দেয়া হয়।

অতপর তার খবর প্রতি আসমানে প্রচার করা হয় পরিশেষে তার রূহ সপ্তম আসমান পর্যন্ত পেীছে। তখন আল্লাহ্ তা'আলা বলেন : আমার বান্দার নাম ইল্লিঙ্গনে (সর্বোত্তম স্তরে) লিখে দাও। আর তাকে পৃথিবীতে তার দেহে পেীছিয়ে দাও। আর যদি রূহটি কোন কাফেরের হয়, তখন ফেরেশতারা তাকে নিয়ে উদ্ধজগতে যেতে থাকে যখনই কোন ফেরেশতাদলের পাশ দিয়ে যায় তখন তারা বলে এ মন্দ কাহটি কার? তখন বলা হয় অমুকের ছেলে অমুকের। দুনিয়ায় রাখা তার সর্ব নিকৃষ্ট নামে একথা বলা হয়।

তারপর তার জন্য আসমানের দরজা খােলার আহ্বান জানানাে হয়। তখন দরজা খােলা হয়না। অতপর আল্লাহ তা'আলা বলেন : তার নাম ভুগর্ভের সর্ব নিম্নস্তর সিজ্জিনে লিখে রাখ। অতপর তার রূহ জোরে নিক্ষেপ করা হয়।

তখন তা তার দেহে ফিরে আসে। উপরােক্ত হাদীস থেকে বুঝা যায় যে রূহ কবরেই তার দেহে ফিরে আসে। আর তখনই সে গাওয়াল জবাবের সম্মুখীন হয়। পরে এ প্রসঙ্গে বিস্তারিত আলােচনা আসবে। 

যাদেরকে কবরে প্রশ্ন করা হবে নাঃ সহীহ হাদীসের বর্ণনানুযায়ী অনেক মৃত ব্যক্তির কবরে আযাব হবে না। যেমন : ঐ সকল লােক যারা জিহাদে শহীদ হয়েছে, যাদের মৃত্যুর সময় কঠোরতা প্রদর্শন করা হয়েছে, যারা এমন দিনে মারা গেছে যেদিন আযাব ও প্রশ্নোত্তর হয় না। যেমন: জুমুআর দিন ও রাত। 

পরবর্তী গল্প
কবরে দুজন ফেরেশতা কর্তৃক মৃত ব্যক্তিকে সাওয়াল-জবাব

পূর্ববর্তী গল্প
বারযাখী জীবন মৃত্যু থেকে হাশর পর্যন্ত ও কবর

ক্যাটেগরী