মৃত্যুকালে শয়তানের ধোকা থেকে আত্মরক্ষার উপায় | আমার কথা
×

 

 

মৃত্যুকালে শয়তানের ধোকা থেকে আত্মরক্ষার উপায়

coSam ৩০


মৃত্যুকালে শয়তানের ধোকা থেকে নিরাপদ থাকা এবং দ্বীনের উপর ইস্তিকামাত থাকার জন্য রাসূলুল্ল (সাঃ) এর হাদীস ও কুর'আনের আয়াত থেকে কিছু উপায় জানা যায়। যেমন : প্রথম উপায় : ঈমান গ্রহণের উপর অটল থাকা।

দ্বিতীয় উপায় : ঈমানের উপর ইন্তিকামাত থাকা। এ দু'টো উপায় উপরে আলােচিত আয়াত দ্বারা প্রমাণিত। তৃতীয় উপায় : গােসল ফরয অবস্থায় গােসল করতে দেরি হলে কমপক্ষে সাথে সাথে অযু করে নেয়া। তাও সম্ভব না হলে তায়াম্মুম করে নিবে।

চতুর্থ উপায় । স্বীয় আত্মা, পােশাক ও ঘরকে এরকম বস্তু থেকে পবিত্র রাখা, যার কারণে রহমতের ফেরেশতা ঘরে ঢুকে না। যেমন : ফটো, কুকুর, গােসল ফরকারী মানুষ, ঐ সকল অলংকার যাতে আওয়াজ হয় ইত্যাদি। 
পঞ্চম উপায় : পিতা-মাতার কথা মান্য করা। হাদীসে আছে, এক ব্যক্তি মহানবী (সাঃ) এর খিদমতে হাযির হয় আরজ করল : হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ), ! আমাদের এলাকায় একটি ছেলে মৃত্যুমুখে পতিত, তাকে কালেমা পড়তে বলা হলে সে পড়তে পারে না।

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন : সে পূর্ব থেকেই কি তা বড়তে অভ্যস্ত নয়? লােকেরা আরজ করল : হে আল্লাহর নবী! সে আগে সব সময় কালেমা পড়তে পারতাে কিন্তু এখন পারছে না।

তখন ছেলেটির পাশে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)  নিজেই তাশরীফ আনলেন এবং তাকে তালকীন করলেন। কিন্তু সে বলল, কালেমা পড়ার মত কোন শক্তি আমার নেই। মহানবী সা. বললেন : কেন? সে বলল : আমি আমার মায়ের কথা শুনতাম না।    

এরপর রাসূলুল্লাহ্ সা, তার মায়ের নিকট থেকে তার ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করালেন, তারপর তার মুখ খুলে গেল এবং কালেমা তাইয়্যেবা পড়ে দুনিয়া থেকে চির বিদায় নিয়ে চলে গেলেন। ষষ্ঠ উপায়: মৃত্যুর সময় অন্যান্য লােকদের মৃত্যু শয্যায় শায়িত ব্যক্তিকে কালেমা তালকীন করানাে।

পরবর্তী গল্প
মৃত্যুর পূর্বে মাটি ও কবরের ঘােষণা

পূর্ববর্তী গল্প
মৃত্যুর সময় শয়তানের মােকাবিলায়

ক্যাটেগরী