বায়তুল মুকাদ্দাস নির্মাণ | আমার কথা
×

 

 

বায়তুল মুকাদ্দাস নির্মাণ

coSam ২৪৭


হযরত আবু যর গিফারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, হযরত ইব্রাহিম (আঃ) মসজিদে হারামের ভিত্তিপ্রস্তর যেভাবে স্থাপন করেছিলেন এবং তা মক্কা শরীফের কারণেই সেখানে গড়ে উঠে। তদ্রুপ হযরত ইয়াকুব (আঃ) ও বায়তুল মুকাদ্দাস মসজিদে ভিত্তিপ্রস্তে স্থাপন করেন। আর বায়তুল মুকাদ্দাসের নিমিত্তেই পরবর্তীতে সেখানে জনবসিত গড়ে উঠে। হযরত ইয়াকুব (আঃ) কর্তৃক বায়তুল মুকাদ্দাস মসজিদ নির্মাণের দীর্ঘকাল পরে হযরত সুলাইমান (আঃ) এর দ্বারা নতুনভাবে বায়তুল মুকাদ্দাস মসজিদ ও শহরের নির্মান কাজ করা হয়। জিন সম্প্রদায়কে হযরত সুলাইমান (আঃ) এর অনুগত করে দেয়ার ফলে বৃহদাকার অতুলনীয় অট্টালিকাসমূহ প্রতিষ্ঠিত হয়। এ সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেন- অর্থঃ আর কিছু জন এমনও ছিল, যারা সুলাইমানের জন্য সমুদ্রে ডুব দিত আর এছাড়া অন্যান্য কাজও করত, এবং আমি তাদের অত্ত্বাবধায়ক ছিলাম। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন- এর পরে তাদের তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন আর একজন। অর্থঃ আর সুলাইমানের জন্য এক্ত্র করা হয়েছে তার সেনাবাহিনী জিন মানুষ এবং পাখিসমূহের মধ্যে হতে সেগুলোকে স্তরে স্তরে দাঁড় করান হত। দুই জিনদেরকে হযরত সুলাইমান (আঃ) এর অধীনস্থ করে দেয়া সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা কোরআনে অন্যত্র ইরশাদ করেন- অর্থঃ আর আমি জিনদেরকে তার বশীভূত করে দিলাম-অট্টালিকা নির্মাণকারীদেরকে মণিমুক্তা আহরণের উদ্দেশে ডুবুরীদেরকে এবং অন্য জিনদেরকে, যারা শৃংখলিত থাকত। মোটকথা আল্লাহ পাক হযরত সুলাইমান (আঃ) কে বিশাল রাজত্ব দান করেন। সুতরাং প্রয়োজনও ততোদিক হওয়াই স্বাভাবিক। মহান আল্লাহ জিনদেরকে হযরত সুলাইমান (আঃ) এর অনুগত করে একদিকে যেমন তার নবুয়তের সত্যতার পক্ষ মোজেযা সাব্যস্ত করেছেন। অন্যদিকে তেমনি তাদের মাধ্যমে বৃহৎ বৃহৎ ইমারত নির্মাণ কাজসম্পন্ন করাচ্ছেন। অন্যথায় মানুষ দিয়ে এ কাজ করান সম্ভব হত না। আর যদিও বা সম্ভব হত কিছু বহুলাংশে যে কঠিন সম্যায় পড়তে হয় তা সুষ্পষ্ট।

পরবর্তী গল্প
হযরত ঈসা (আঃ) এর শিক্ষা

পূর্ববর্তী গল্প
জিহাদের ঘটনা

ক্যাটেগরী