পুরুষের মাহরাম | আমার কথা
×

 

 

পুরুষের মাহরাম

coSam ৩৩


পুরুষের মাহরামঃ

১। মা (অপন হোক বা সৎ। দুধ মা -ও এর অন্তর্ভুক্ত)।  

২। মেয়ে আপন হোক বা সৎ অর্থাৎ, স্ত্রীর পূর্বের ঘরের মেয়ে হোক )।

 ৩। বোন (আপন হোক বা বৈমাত্রেয় বা বৈপিত্রেয়) দুধবোনও এর অন্তর্ভুক্ত। মামাত , খালাত , ফুফাত বোনদের সাথেও পর্দা করতে হবে।  

৪। ফুফু (আপন হোক বা সৎ)।

৫। খালা (আপন হোক বা সৎ)।

৬। ভাতিজি (আপন হোক বা সৎ)।

৭। ভাগ্নি (আপন হোক বা সৎ)।

৮। শাশুড়ি (আপন শাশুড়ি বা দাদী শাশুড়ি বা নানী শাশুড়ি)।

৯। আপন দাদী।

১০। আপন নানী।

১১। পুত্র-বধূ।

১২। নিজ স্ত্রী।

১৩। নাতিনী (ছেলের ঘরের হোক বা মেয়ের ঘরের)।

* উল্লেখ্য, পুরুষ তার মাহরাম মহিলার শুধু মাথা, চেহারা, গর্দান দুই বাহু ও পায়ের নলা দেখতে পারে, তাও যদি শাহওয়াত না থাকে। পেট পিঠ দেখা জায়েয নয়। একজন নারী অপর নারীর এতটুকু অংশই দেখতে পারে, যতটুকু একজন পুরুষ অপর পুরুষের দেখতে পারে- তার বেশী নয়।

* যেখানে নারীর আওয়াজের কারণে অনর্থ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকে সেখানে পর্দার অন্তরালে থেকেও বেগানা পুরুষকে আওয়াজ শুনানো এবং পর্দার সাথে কথা-বার্তা বলা নিষেধ। যেখানে এরূপ আশঙ্কা নেই সেখানে জায়েয কিন্তু বিনা প্রয়োজনে পর্দার অন্তরালে থেকেও বেগানা পুরুষের সঙ্গে কথা-বার্তা না বলার মধ্যেই সাবধানতা নিহিত। প্রয়োজনের মুহূর্তে বলতে হলেও নারীকে মিহি সুরে না বলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ফিতনার সম্ভাবনা থেকে বাঁচার জন্য এটাই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা।

* নারীদের জন্য বেগানা পুরুষকে অলংকারের আওয়াজ শোনানোও জায়েয নয়।

* সুশোভিত রঙ্গিন কারুকার্য খচিত বোরকা পরিধান করে বের হওয়াও নিষিদ্ধ।

* যে ব্যক্তি স্বীয় স্ত্রী বা পরিবারের (অধীনস্ত) কোন মহিলাকে বেগানা পুরুষের সাথে মেলা মেশা করতে দেয়, শক্তি সত্ত্বেও তাতে কোন প্রকার বাঁধা না দেয় অর্থাৎ, শরীয়তের পর্দা বিধান লঙ্ঘন করতে দেয় তাকে দাইয়ূস বলা হয়। আর হাদিসে এসেছে দাইয়ূস ব্যক্তির জন্য আল্লাহ্‌ তায়ালা জান্নাত হারাম করে দিয়েছেন।

 

পরবর্তী গল্প
খতনার আহকাম

পূর্ববর্তী গল্প
নারীর মাহরাম

ক্যাটেগরী