পুনরায় মায়ের স্নেহনীড়ে মূসা (আঃ) – শেষ পর্ব

বনী ইসরাঈলের প্রতি কিবতীদের অত্যাচার যদিও হ্রাস পেয়েছিল কিন্তু তা একেবার নির্মুল হয়ে যায় নি। কিবতীরা যখনই সুযোগ পেত তখনই বনী ইসরাঈলের লোকদের উপর অত্যাচার ও যুলুমের হাত প্রসারিত করত। তবে খোলাখুলিভাবে অত্যাচার ও যুলুম করার জন্য অনেক ক্ষেত্রে সাহসী হত না।

বনী ইসরাঈলরা তাদের অত্যাচার ও যুলুম এখনও নীরবে সহ্য করে আসছে। কেননা, বনী ইসরাঈলের প্রতি অত্যাচার বন্ধের জন্য কোন সরকারী ফরমান এখনও জারী হয় নি। আর এখনও বনী ইসরাঈলের কোন ব্যক্তি কোন কিবতীর অত্যাচারের বিরুদ্ধে রাজদরবারে বিচার প্রার্থনা করলে সে এর বিচার পেত না।

আর এজন্যই কিবতীরা বনী ইসরাঈলীদের প্রতি অত্যাচার করতে দ্বিধা করত না। তবে বনী ইসরাঈলের এক ব্যক্তি ফিরআউনের পুত্র হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় অনেকটা ভয় করে থাকত। এমন অবস্থায় মিশরের দু সম্প্রদায় বসবাস করছে।

হযরত মূসা (আঃ) যৌবনে পদার্পণ করে এ পরিস্থিতি অনুভব করেন। ইতঃমধ্যে তিনি যে বনী ইসরাঈলী তা জেনেছেন ও বনী ইসরাঈলের এ অসহায় অবস্থা দর্শনে তিনি অত্যন্ত ব্যথিত হতেন। অনেক সময় ভাবতেন যে, ফেরআউনের নিকট এ অন্যায়ের প্রতিবাদ করবেন।

কিন্তু আবার নিজেকে সংযত করতেন। কেননা ফেরআউন অত্যাচারী। ফেরাউন যখন দেখবে যে হযরত মূসা (আঃ) বনী ইসরাইলের পক্ষে কথা বলছেন। তখন হিতে বিপরীত হয়ে যাবে।

এসব কিছু চিন্তা করে তিনি একা একা বসে থাকতেন। মনের এ আবেগকে চাপা দিতে গিয়ে কখনও কখনও তিনি একা একা রাজপুরীর বাইরে ভ্রমণে চলে যেতেন। দেখতে দেখতে হযরত মূসা (আঃ) পরিণত বয়সে পদার্পণ করলেন।

পুনরায় মায়ের স্নেহনীড়ে মূসা (আঃ) – প্রথম পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন

আরো পড়তে পারেন

দুঃখিত, কপি করবেন না।