তারাবীহ-র নামায ও তার মাসায়েল | আমার কথা
×

 

 

তারাবীহ-র নামায ও তার মাসায়েল

coSam ৫০


তারাবীহ-র নামায ও তার মাসায়েলঃ
* রমযান মাসে ইশার নামাযের পর ইশার ওয়াক্তের মধ্যে যে বিশ রাকআত সুন্নাতে মুআক্কাদা পড়তে হয়, তাকে তারাবীহ-র নামায বলে।   
* তারাবীহ্-র নামায সুন্নাতে মুআক্কাদা।   
* বিশ রাকআত তারাবীহ্ পড়া সুন্নাতে মুআক্কাদা-আট রাকআত নয়।   
* তারাবীহ-র নামায জামাআতের সাথে পড়া সুন্নাতে মুআক্কাদায়ে কেফায়া। মহিলাদের তারাবীহ-র জামা'আত করা মাকরূহ তাহরীমী।    
* প্রতি চার রাকআত তারাবীহ-র পর এবং বিশ রাকআতের পর বিতরের পর্বে চার রাকআত পরিমাণ বিশ্রাম করা মােস্তাহাব। জামা'আতের লােকদের কষ্ট হওয়ার বা জামা'আতের লােক সংখ্যা কম হওয়ার আশংকা হলে এত সময় বিশ্রাম করবে না বরং কম করবে।   
* এই বিশ্রামের সময় চুপ করে বসে থাকা, তাসবীহ তাহলীল, তিলাওয়াত, দুরূদ পড়া বা নফল নামায পড়া সবই জায়েয । আমাদের দেশে যে সােবহানা যিল মুলকি ওয়াল মালাকৃতি ... তিনবার পড়ার প্রচলন আছে। তাও জায়েয, তবে তা-ই পড়া জরূরী নয় বরং এই দুআ কোন হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত নয়। এর চেয়ে  বারবার পড়তে থাকা উত্তম । এবং এসব দুআ চিৎকার করে নয় বরং নীরবে (কিংবা স্বল্প শব্দে) পড়া মােনাসেব!  
* প্রত্যেক চতুর্থ রাকআতে মােনাজাত করা জায়েয আছে, কিন্তু বিশ রাকআতের পর বিতরের পূর্বে দু'আ করাই আফল। (শামসুল হক ফরীদপুরী, দ্রঃ বাংলা বেহেশতী জেওরঃ ১ম) তবে কোথাও প্রতি চার রাকআতের পর মুনাজাত করলে কঠোর ভাবে তাতে বাধা দেয়া কিংবা না করা হলে মুসল্লীগণের পক্ষ থেকে ইমামকে করার জন্য হুকুম দেয়া সংগত নয়।
* যদি কেউ মসজিদে এসে দেখেন ঈশার জামাআত হয়ে গিয়েছে এবং তারাবীহ শুরু হয়ে গিয়েছে তখন তিনি একা একা ইশা পড়ে নিয়ে তারপর তারাবীহ্-র জামা'আত শরীক হবেন। ইত্যবসরে যে কয় রাক'আত তারাবীহ ছুটে গিয়েছে তা তিনি তারাবীহ ও বেতর জামা'আতের সাথে আদায় করার পর পড়বেন।

সূত্রঃ আহকামে যিন্দেগী

 

পরবর্তী গল্প
খতম তারাবীহ্-র মাসায়েল

পূর্ববর্তী গল্প
খুতবার সময় শ্রোতাদের করণীয় আমলসমূহ

ক্যাটেগরী