জিন জাতিকে অধীনস্থ করা | আমার কথা
×

 

 

জিন জাতিকে অধীনস্থ করা

coSam ১৫২


হযরত সুলাইমান (আঃ) আল্লাহর কাছে দোয়া করেছলেন-

অর্থঃ হে রব! আমাকে মাপ করুন এবং আমাকে এমন রাজত্ব দান করুন যা আমার পরে আর কারো হবে না। নিশ্চয়ই আপনি অতিশয় দানশীল।

এবং জ্বীন জাতিকেও আল্লাহ পাক তার অধিন করে দিয়েছিলেন। তিনি তাঁদেরকে যেভাবে নির্দেশ দিতেন তারা সেভাবে কাজ করতে বাধ্য থাকত। তার নির্দেশ ব্যতিরেকে কোন কাজ করলে আল্লাহ পাক তাঁদেরকে কঠিন শাস্তি প্রদান করতেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে-

অর্থঃ হে রব! আমাকে মাপ করুন এবং আমাকে এমন রাজত্ব দান করুন যা আমার পরে আর কারো হবে না। নিশ্চয়ই আপনি অতিশয় দানশীল।

এবং জ্বিন জাতিকেও তার অধীন করে দিয়েছিলেন। তিনি তাদেরকে যেভাবে নির্দেশ দিতেন তারা সেভাবে কাজ করতে বাধ্য থাকত। তার নির্দেশ ব্যতিরেকে কোন কাজ করলে আল্লাহ পাক তাঁদেরকে কঠিন শাস্তি প্রাদান করতেন।

অর্থঃ যদি তাদের কেউ আমার নির্দেশের ব্যতিক্রম করে তা হলে আমি তাঁকে আগুন দিয়ে আযাব প্রদান করব।

তাফসীরবিদদের কেউ কেউ বলেন, আগুহ দিয়ে আযাব দেয়ার অর্থ হল জাহান্নামে প্রবিষ্ট করবেন। কিন্তু অধিকাংশ তফসীরবিদরা বলেন, আল্লাহ তাদের জন্য এক ফেরেশতা নিয়োগ করেছেন, যে জিন হযরত সুলাইমান (আঃ) এর আদেশের অনুগত হতে অলসতা করত ফেরেশতা আগুনের চাবুক দিয়ে প্রহার করে তার অনুগত থাকতে বাধ্য করত। হযরত সুলাইমান (আঃ) এর সামনে গোলামের ন্যায় কাজ করত। আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন-

এক বর্ণনায় আছে জিন তিন প্রকার। এক প্রকার যারা নেক ও বদ আমলের বিনিময়ে হিসেবে সওয়াব ও শাস্তি পাওয়ার যোগ্য। দ্বিতীয় প্রকার-ডানা বিশিষ্ট। ডানাবিশিষ্ট জিনরা ধরায় উড়ে বেড়ায়। তৃতীয় প্রকারের জিন সাপ ও কুকুরের আকৃতিতে ছিল। তারা শক্ত শক্ত কাজ করত। আল্লাহ তাআলা হযরত সুলাইমান (আঃ) কে যত বড় রাজত্ব দান করেছিলেন এর ইমারত ও অন্যান্য শিল্পকর্মের পরিমাণও ততবেশি এবং বড় বড় ছিল। যা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মানুষের জন্য সহজ হত না বরং কঠিন হয়ে পড়ত। তিনি জিনদের দ্বারা অতি সহজে এ ধরনের কার্য সমাধা করাতেন। আল্লাহ পাক কোরআনে ইরশাদ করেন-

অর্থঃ তিনি যা চাইতেন জিনেরা তার জন্য তা নির্মাণ করত। যথা-বৃহৎ দালান প্রতি মূর্তিসমূহ, চৌবাচ্চার ন্যায় বৃহদায়তনের পাত্রসমূহ এবং বড় বড় হাড়িসমূহ যা একই স্থানে অবস্থিত থাকে।

পরবর্তী গল্প
দাউদ (আঃ) এর পরীক্ষা - পর্ব ১

পূর্ববর্তী গল্প
পিপীলিকার এলাকায় হযরত সুলাইমান (আঃ)

ক্যাটেগরী