গুরুত্বপূর্ণ নসীহত | আমার কথা
×

 

 

গুরুত্বপূর্ণ নসীহত

coSam ২০৮


হযরত জুন্নুন মিশরী (রহঃ) বর্ণনা করেন, আল্লাহ্‌ পাক ওহীর মাধ্যমে হযরত মূসা (আঃ) কে বললেন, হে মূসা! এমন পাখীর মত জীবন যাপন করূন, যে একাকী থাকে এবং বৃক্ষ থেকে নিজের খাদ্য গ্রহণ করে। আর নহর থেকে বিশুদ্ধ পানি পান করে। যখন রাত হয় তখন সে কোন গুহায় আশ্রয় গ্রহণ করে। কেননা, সে আমাকে ভালবাসে এবং নাফরমানদের ঘৃনা করে। হে মুসা! যে যে আমাকে ছাড়া অন্য কারো দ্বারা নিজের মনের আশা  পূরণ করেতে চায়, আমি তার আশা ভেঙ্গে দেব। সে আমাকে ছাড়া অন্য কারো উপর নির্ভর করে আমি তাকে নাকাম করব। গায়রুল্লাহর সাথে যে ভালবাসা স্থাপন করবে সে ভীতিকর অবস্থায় শিকার হবে। হে মূসা! আমার বান্দারা আমার নিকট জোরে বা আস্তে যেভাবেই নিবেদন করে আমি তাদের সকল নিবেদন শুনতে পাই। যারা আমার দিকে ধাবিত হয় আমি তাদেরকে স্বীয় নৈকট্য দান করি। যারা আমার নিয়ন্ত্রনে থাকতে চায় আমি তাদের দায়িত্ব গ্রহণ করি। যারা আমার প্রতি খাঁটি ভালবাসা পোষণ করে আমি ও তাদের প্রতি অনুরূপ ব্যবহার করি। আমি মানুষের আমলের বিনিময় দানকরি এবং তাদের সকল হালত নিয়ন্ত্রন করি। জিকির হল মানুষের আত্মার শান্তির উপাদান। তা দ্বারাই মানুষ শেফা লাভ করে এবং ক্বলবে নূর  পয়দা হয়।

হযরত ইব্রাহিম বিন আদহাম (রঃ) বলেন, তুমি যদি তওবার আয়না দ্বারা সকল সময় নিজের চেহারা দেখ, তবে নিজের গুনাহ খাতা সম্পর্কে অবহিত হতে পারবে। তিনি আরো বলেন। মানুষের সাথে অধিক মেলামেশা করো না। আর যাদের সাথে পরিচয় নেই তাদের সাথে নতুনভাবে পরিচয় স্থাপন করো না। আর যাদের সাথে পরিচয় আছে তাদের নিকট হতে এমনভাবে দূরে থাকবে যেমন মানুষ হিংস্র বাঘ হতে দূরে থাকে। জামাত এবং জুম’আ কখনো ত্যাগ করবে না। অন্য এক বুজুর্গ বলেন, তোমরা অপরিচিত মানুষের সাথে পরিচিত হতে চাও, আর আমরা পরিচিত মানুষ হতে দূরে থাকতে চাই। এক বুজুর্গ বলেন, আমি আমার বন্ধু-বান্ধবদেরকে পরীক্ষা করে দেখেছি বিপদের সময় কাউকেও কাছে পাওয়া যায় না। আমার দুঃখ দেখে তারা হাস্য রস করে আর সুখ দেখে হিংসা করে।


পরবর্তী গল্প
আধ্যাত্মিক শক্তি

পূর্ববর্তী গল্প
দুনিয়ার সম্পর্ক

ক্যাটেগরী