কেরান হজ্জে যা যা করতে হয় | আমার কথা
×

 

 

কেরান হজ্জে যা যা করতে হয়

coSam ২৮


কেরান হজ্জে যা যা করতে হয়ঃ

(হজ্জের মাস সমূহে এক সাথে উমরা ও হজ্জ উভয়টির এহরাম বেধে প্রথমে উমরা পালন করে এহরাম না খুলে ঐ একই এহরামে হজ্জ সমাপন করাকে হজ্জে কেরান বা কেরান হজ্জ বলে।
১। প্রথমে উমরা ও হজ্জ উভয়টার নিয়তে এহরাম বাধবে। এহরাম বাধা ফরয।
২। বায়তুল্লায় প্রবেশ করে তওয়াফে উমরা বা উমরার তওয়াফ আদায় করবে। এই তওয়াফ ফরয।
৩। তওয়াফের পর উমরার সায়ী করবে। এই সায়ী ওয়াজিব।
৪। তারপর তওয়াফে কুদুম করবে। মীকাতের বাইরে থেকে মক্কায় প্রবেশকারীদের জন্য এই তওয়াফ সুন্নাত।
৫। তারপর সায়ী করবে। এই সায়ী ওয়াজিব। কেরানকারীর জন্য এই সায়ী এখানেই করে নেয়া উত্তম। না করলে তওয়াফে যিয়ারতের পর এই ওয়াজিব সায়ী আদায় করতে হবে।
৬। ৮ই যিলহজ্জ যােহর থেকে ৯ই যিলহজ্জ ফজর পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত নামায মিনায় থেকে আদায় করবে। এটা সুন্নাত।
৭। ৯ই যিলহজ্জ সূর্য ঢালা থেকে সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত উকুফে আরাফা (আরাফায় অবস্থান করবে। এটা হজ্জের অন্যতম ফরয।
৮। ৯ই যিলহজ্জ দিবাগত রাত উকুফে মুযদালিফা (মুযদালিফায় অবস্থান) করবে। এটা ওয়াজিব।  
৯। ১০ই যিলহজ্জ মিনায় এসে জামরায় আকাবায় (বড় শয়তানে) কংকর নিক্ষেপ করবে। এই কংকর নিক্ষেপ করা ওয়াজিব।   
১০। তারপর কুরবানী করা ওয়াজিব।    
১১। তারপর মাথা মুণ্ডিয়ে বা চুল ছােট করে এহরাম খুলবে। এই মাথা মুণ্ডানাে  বা চুল ছােট করা ওয়াজিব।  
১২। তওয়াফে যিয়ারত করা ফরয।  
১৩। ১১ ও ১২ যিলহজ্জ প্রতিদিন তিন জামরাতে কংকর নিক্ষেপ করবে। এ কংকর নিক্ষেপ করা ওয়াজিব।
১৪। বিদায়ী তওয়াফ করবে। এই বিদায়ী তওয়াফ ওয়াজিব। মক্কা থেকে বিদায় নেয়ার সময় বিদায়ী তওয়াফ করলে হজ্জে কেরানের কার্যাবলী শেষ হবে।

সূত্রঃ আহকামে যিন্দেগী

 

পরবর্তী গল্প
তামাত্তু হজ্জে যা যা করতে হয়

পূর্ববর্তী গল্প
কেরান হজ্জে যা যা করতে হয়

ক্যাটেগরী