এহরামের মাসায়েল ও কোথা থেকে এহরাম বাধবেন | আমার কথা
×

 

 

এহরামের মাসায়েল ও কোথা থেকে এহরাম বাধবেন

coSam ২৯


এহরামের মাসায়েল  ও কোথা থেকে এহরাম বাধবেনঃ
*এহরামের জন্য নির্দিষ্ট পােশাক পরিধান পূর্বক (পুরুষের জন্য) হজ্জ অথবা উমরা কিংবা হজ্জ ও উমরা উভয়টির নিয়ত করে তালবিয়া পড়া এবং বায়তুল্লাহ শরীফের তওয়াফ ও সাফা-মারওয়া সায়ী করার পর মাথা মুণ্ডন করে বা চুল ছােট করে মুক্ত হওয়া পর্যন্ত অবস্থাকে এহরাম বলে।

কোথা থেকে এহরাম বাধবেনঃ
হজ্জ বা উমরার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলে মীকাত অর্থাৎ, শরী'আত কর্ত এহরাম বাধার নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করার পূর্বেই এহরাম বেধে নেয়। জরূরী। বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান প্রভৃতি পূর্বাঞ্চলীয় লােকদের জন্য এই নির্ধারিত স্থানটি হল ইয়ালামলাম (মক্কা থেকে দক্ষিণপূর্বে অবস্থিত একটি পাহাড়ের নাম)। সামুদ্রিক জাহাজযােগে হজ্জ যাত্রীগণ এ স্থান বরাবর অতিক্রম করার পূর্বে অবশ্যই এহরাম বেধে নিবেন। প্লেন এ স্থান বরাবর রেখা কখন অতিক্রম করে তা টের পাওয়া কঠিন; তাই প্লেন যযাগে হজ্জ বা উমরার উদ্দেশ্যে মক্কা গমনকারীর জন্য প্লেনে আরােহণের পূর্বেই এহরাম বেধে নেয়া উচিত। বিমানবন্দরে যেয়ে বা হাজী ক্যাম্প থেকে বা বাসা থেকে রওয়ানা হওয়ার পূর্বে বাসায় বা মসজিদে যে কোন স্থানে এহরাম বাধা যায়।  
* যারা মদীনা শরীফ আগে যাওয়ার ইচ্ছা করবেন তারা বিনা এহরামেই রওয়ানা হবেন। মদীনা যিয়ারতের পর যখন মক্কা শরীফ-এর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন, তখন মদীনা শরীফ থেকে মক্কা শরীফ গমনকরীদের মীকাত যেহেতু যুলহুলাইফা তাই যুলহুলাইফা নামক স্থান (বর্তমানে “বীরে আলী" নামে পরিচিত) থেকে বা মদীনায় থেকেই এহরাম বেধে মক্কা শরীফ রওয়ানা হবেন।  
* যারা মক্কা শরীফে থেকে নফল উমরা করতে চান এহরাম বাধার জনাে তাদেরকে হারামের সীমানার বাইরে যেয়ে এহরাম বেধে আসতে হবে। এর জন্য সবচেয়ে উত্তম স্থান হল তানয়ীম। বর্তমানে সেখানে মসজিদে আয়েশা নামক একটি মসজিদ আছে। তাই মসজিদে আয়েশায় গিয়ে এহরাম বেধে এসে নফল উমরা করবেন। জে’রানা নামক স্থান থেকেও এহরাম বেধে আসা যায়।  

সূত্রঃ আহকামে যিন্দেগী 

পরবর্তী গল্প
এহরাম বাধার তরীকা

পূর্ববর্তী গল্প
তামাত্তু হজ্জে যা যা করতে হয়

ক্যাটেগরী