উত্তপ্ত বালুকার উপর পাথর চাপা | আমার কথা
×

 

 

উত্তপ্ত বালুকার উপর পাথর চাপা

coSam ৩৪


অত্যাচারের একটি ধরন ছিল- দ্বি-প্রহরের মরুভূমির উত্তপ্ত বালুকার উপর চিত করে বুকের উপর ভারি পাথর চাপা দিয়ে রাখা। এরুপ এবং অন্যান্য তাঁর উপর অত্যাচার করা হত। নির্দেশ দেয়া হত লাত ও উজ্জার পূজা করতে এবং রাসূলুল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে। তা না করা হলে এরুপ অত্যাচারের মধ্যে তাঁকে মৃত্যু বরণ করতে হবে ।

এরুপ ভীতিও দেখান হত। বিধিধ নির্যাতন চলাকালেও তিনি চিৎকার করে বলতেন, “আহাদ” “ আহাদ”, অর্থাৎ এক আল্লাহ এবং অদ্বিতীয় প্রভু।  

একমাত্র প্রভুর এবাদতই আমি করি। (ইবনে হিশাম; আসরিরাতুন নবুবিয়্যাহ, মিশর প্রথম খণ্ড, পৃঃ-৩৩৪)। বিলালকে জ্বলন্ত আগুনে দগ্ধ করা হবে। হস্ত পদ বেঁধে কঙ্করময় কন্টাকাকীর্ণ পথে উট জ্বলন্ত দগ্ধ করা হবে।

হস্ত পদ বেঁধে কঙ্করময় কন্টকাকীর্ণ পথে উট ঘোড়ার পায়ে বেঁধে উট ঘোড়া দৌড়ান হবে। ইত্যাদি প্রচলিত শাস্তির ভয় দেখান হয়। খাদ্য ও পানি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

দুষ্ঠ ছেলের নির্যাতনের শিকার ব্যথা বেদনা এবং ক্ষুধায় হেচড়ে পদাঘাতে জর্জরিত করত।
পথে-ঘাটে, অলিতে-গলিতে হযরত বিলালকে টানাটানি করে হৈ চৈ আমোদ প্রমোদেও দুষ্ট ছেলেরা লিপ্ত হত। যাদের হাতে বেত ছিল তারা তাঁকে বেত্রাঘাত করত।

যার ইচ্ছা কঙ্কর নিক্ষপ করে। এরুপ অত্যাচারে, অনাহারে, হযরত বিলাল (রাঃ) হয়ে উঠতেন অর্ধমৃত। তাঁকে আঘাতে প্রাহারে জর্জরিত করে আনন্দ উপভোগের পর ক্লান্ত বালক কিশোরেরা প্রচন্ড সূর্যতাপে ফেলে রাখত। অর্ধচেতন শরীর পিপাসায় হত ক্লান্ত।

সুত্রঃ ক্রিতদাস থেকে সাহাবী

পরবর্তী গল্প
পর্দার আহকাম

পূর্ববর্তী গল্প
বিল্লালের ইসলাম গ্রহণ

ক্যাটেগরী