ইফরাদ হজ্জে যা যা করতে হয় | আমার কথা
×

 

 

ইফরাদ হজ্জে যা যা করতে হয়

coSam ২৭


ইফরাদ হজ্জে যা যা করতে হয়ঃ

(হজ্জের মাস সমূহের মধ্যে শুধু মাত্র হজ্জের এহরাম বেধে হজ্জ সমাপন করাকে হজ্জে ইফরাদ বা ইফরাদ হজ্জ বলে)
১। হজ্জের এহরাম বাধতে হবে। এটা ফরয।             
২। বায়তুল্লার তওয়াফ করতে হবে। এটাকে তওয়াফে কুদূম বলে। এটা সুন্নাত।      
৩। ৮ই যিলহজ্জ যোহর থেকে ৯ই যিলহজ্জ ফজর পর্যন্ত মিনায় অবস্থান ও পাঁচ ওয়াক্ত নামায সেখানে আদায় করা সুন্নাত।       
৪। ৯ই যিলহজ্জ আরাফায় অবস্থান করতে হবে। এটা হজের ফরয।  
৫। ৯ই যিলহজ্জ দিবাগত রাত মুযদালিফায় অবস্থান করতে হবে। এই অবস্থান ওয়াজিব।  
৬। ১০ই যিলহজ্জ মিনায় এসে জামরায়ে আকাবায় (বড় শয়তানে) কংকর নিক্ষেপ করতে হবে। এটাও ওয়াজিব।
৭। তারপর কুরবানী করা। ইফরাদ হজ্জকারীর জন্য কুরবানী ওয়াজিব নয় ঐচ্ছিক; কুরবানী না করলেও চলবে।
৮। মাথা মুণ্ডন করে এহরাম খুলতে হবে। মাথা মুণ্ডন বা চুল খাটো করে ছাঁটা ওয়াজিব।  
৯। তওয়াফে যিয়ারত করতে হবে। এটা ফরয।   
১০। তওয়াফে যিয়ারতের পর সায়ী করা ওয়াজিব। ইফরাদ হজ্জকারীর জন্য এই সায়ী তওয়াফে যিয়ারতের পর করা উত্তম। তওয়াফে কুদুমের পরও এই সায়ী করে নেয়া যায়। তওয়াফে কুদূমের পর এই সায়ী করে থাকলে তওয়াফে যিয়ারতের পর আর করতে হবেনা।    
১১। ১১ ও ১২ই জিলহজ্জ মিনায় প্রতিদিন তিন জামরায় কংকর নিক্ষেপ করতে হবে। এটাও ওয়াজিব।
১২। সর্বশেষে মক্কা থেকে বিদায় নেয়ার সময় বিদায়ী তওয়াফ করলে হজ্জে ইফরাদের কার্যাবলী শেষ হবে। এই বিদায়ী তওয়াফ করা ওয়াজিব।

সূত্রঃ আহকামে যিন্দেগী  

 

পরবর্তী গল্প
কেরান হজ্জে যা যা করতে হয়

পূর্ববর্তী গল্প
কোন্ প্রকার হজ্জ করা উত্তম

ক্যাটেগরী