আশুরার রোযা | আমার কথা
×

 

 

আশুরার রোযা

coSam ৯৭


রাসূলুল্লাহ (সাঃ) নবুয়তের চতুর্দশ বছরের সফর মাসের শেষের দিকে মক্কা ত্যাগ করেন এবং রবিউল আউয়ালের বার তারিখ মতান্তরে আট তারিখ সোমবার মদীনার কোবা এলাকায় পৌঁছান। মদীনায় অবস্থান কালে প্রথম মহররম মাসে তিনি দেখতে পেলেন- ইহুদীরা মহররমের দশ তারিখে রোযা রাখছে।

তিনি এ দিন রোযা রাখার কারণ জানতে চাইলে তারা বলল, মহররমের দশ তারিখে আমাদের প্রতি আল্লাহ তাআলার বিশেষ করুণা রয়েছে। এ তারিখেই আল্লাহ তাআলা বনী ইসরাইল ও হযরত মূসা (আঃ) কে ফেরআউনের কবল থেকে উদ্ধার করেন এবং ফেরাউনকে তার সদলবলে ধ্বংস করেন। আল্লাহর এ করুণার শুকরিয়া আদায়ের উদ্দেশ্যে মহররম মাসের দশ তারিখে আমরা রোযা রাখি।

ইহুদীদের জবাবে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন-তোমাদের চাইতে আমরা মূসা (আঃ) এর বেশি ঘনিষ্ঠ। তাই আমরাও এ দিন রোযা রাখব। তিনি সাহাবাদেরকে মহররমের দশ তারিখে রোযা রাখার নির্দেশ দেন।

এমনকি মহরমের তারিখের রোযা ফরয করে দেয়া হয়। সাহাবায়ে কেরামের কেউ কেউ নিবেদন করলেন-ইয়া রাসূলুল্লাহ! এতে করে প্রকারন্তরে ইহুদীদের সাথে আমাদের কার্যগত সামঞ্জস্য সৃষ্টি হয়ে যাচ্ছে। সাহাবায়ে কিরামের আপত্তির জবাবে নবীজী (সাঃ) বলেন আগামী বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকলে ইনশা আল্লাহ মহররমের নয় তারিখেও রোযা রাখব। কিন্তু পরের বছরই রমযানের রোযা ফরয হয় এবং দশই মহররম বা আশুরার রোযার ফরয বিধান রহিত হয়ে শুধু মোস্তাহাব হিসেবেই অবশিষ্ট থাকে।

পরবর্তী গল্প
রাসূলে আকরাম (সাঃ) এর জন্য আবাস নির্মাণ

পূর্ববর্তী গল্প
আযানের প্রবর্তন

ক্যাটেগরী